পণ্য: মিশ্র রাজমা
ওজন: 5 কেজি
প্রোটিন সমৃদ্ধ: ইউএসডিএ অনুযায়ী, 100 গ্রাম কাঁচা কিডনি বীনে রয়েছে প্রায় 24 গ্রাম প্রোটিন। ভাতের সঙ্গে কিডনি বিনে সম্পূর্ণ প্রোটিন খাবার হিসাবেই জনপ্রিয়। সোয়া ও কুইনা ছাড়াই, উদ্ভিজ্জ প্রোটিন উৎস যেমন মটরশুটি, বাদাম ও গোটা শস্য আপনাকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগাতে অক্ষম। কিন্তু, অন্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে তারা প্রোটিন পদার্থে ভরপুর হয়ে ওঠে।এই সম্পর্কে ম্যাক্রোবায়োটিক পুষ্টিবিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী শীলা অরোরা বলেছেন--"রাজমা প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন এবং উচ্চ মানের ফাইবারসমৃদ্ধ। যদি আপনি একটাই খাবারের বিভিন্ন অ্যামিনো অ্যাসিড চান তবে শস্য ও বাদামের মিশ্রণ খাদ্য হিসেবে উপকারী।”2. হজমের সহায়ক কিডনি বিন দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। ফাইবার পাচনতন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে, অন্ত্রের সমস্যা কমায়। কিন্তু অতিরিক্ত ব্যাবহারে আবার গ্যাস বা পেট ফাঁপার মতো সমস্য।3. ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী: কিডনি বিনের একটি বড় অংশই কার্বোহাইড্রেট। কিন্তু এই কার্বোহাইড্রেট ক্ষতিকারক নয় একেবারেই। এই কার্বোহাইড্রেট হজমে বিলম্ব ঘটায়, যার ফলে রক্তপ্রবাহে শর্করাও নির্গত হয় অল্প পরিমাণে। কিডনি বিন কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সম্পন্ন হওয়ায় ডায়াবেটিসের জন্য আদর্শ খাবার।4. অপরিহার্য খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ: ডি কে পাবলিশিং হাউস কর্তৃক প্রকাশিত 'হিলিং ফুডস' বই অনুযায়ী, রক্ত তৈরি করে এমন আয়রন, ফসফরাস রয়েছে কিডনি বিনে। যা হাড় ও দাঁত মজবুত রাখতে সাহায্য করে, এর মধ্যে থাকা ভিটামিন কে স্নায়ুতন্ত্রের রক্ষাও করে।5. কোলেস্টেরল কমানো: কিডনি মটরশুটি দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ। দ্রবণীয় ফাইবার জল আকর্ষণ করে এবং হজমের সময় জলকে জেলজাতীয় পদার্থে রূপান্তরিত করে। আমরা জানি যে দ্রবণীয় ফাইবার হজম করাতে সাহায্য করে কিন্তু অনেকেই জানি না যে বিন এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে।
বাচ্চাদের খাবার নিয়ে যেন মায়েদের চিন্তার শেষ নেই। যখন থেকে একটা বাচ্চার সলিড শুরু তখন থেকে মায়েদের চিন্তা শুরু। বাচ্চা যখন খাবারের স্বাদ বুঝতে শিখে তখন চায় ভিন্ন ভিন্ন খাবার, আমরা বড়রা যেমন একি খাবার বার বার খেতে পছন্দ করি না, ঠিক আমাদের বাসার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য কলিজার টুকরা সোনামণিরাও চায় মজাদার এবং বিভিন্ন খাবার খেতে। তাই আপনার সোনামণিদের জন্য “জান্নত হোমমেড বেবি ফুড” নিয়ে এলো রাজমা খিচুরি মিক্সড। যা আপনার বাচ্চার খাবারে আনবে ভিন্ন স্বাদ। বাচ্চার এক রকম খাবার রোজ রোজ খেতে পছন্দ করে না তাই খাবারে প্রয়োজন ভিন্নতা। আর আমাদের সবসময় চেষ্টা আপনার বাচ্চার জন্য রুচি ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার তৈরি করা। তাই আপনি চায়লেই ট্রাই করতে পারেন “রাজমা খিচুরি মিক্সড।
আসুন জেনে নেই রাজমার পুষ্টিগুন “রাজমা” তে প্রচুর ক্যালশিয়াম রয়েছে…রয়েছে ফাইবার, এন্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন C, D, B6, ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, শর্করা, খনিজ (Minerals), কারকিউমিন (হলুদে বিদ্যমান যা মানবদেহে হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে সহায়ক), এছাড়াও প্রচুর আমিষ, ফাইবার এবং স্নেহজাতীয় উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস রয়েছে।
রাজমার পরিচিতি
রাজমা ভারতীয় একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর খাবার। রাজমা এক ধরনের শিমবীজ। দেখতে গোলাকার এবং কিডনি বা যকৃৎ আকারের হয়ে থাকে। এ জন্য একে ইংরেজিতে কিডনি বিনস বলা হয়। পরিপক্ব শিমবীজে প্রচুর আমিষ, ফাইবার এবং স্নেহজাতীয় উপাদান রয়েছে। এ ছাড়া এতে আটটি প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই বীজের বাইরের গাঢ় রঙের আবরণে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে বিদ্যমান ফলেট নামক উপাদান এক ধরনের অ্যামিনো এসিড, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। নিয়মিত খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে হৃৎপিণ্ডসহ শরীরের অন্যান্য শিরা-উপশিরার স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের অতিরিক্ত আয়রনের প্রয়োজন মেটায়। এতে সঞ্চিত ম্যাঙ্গানিজ দেহের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং নার্ভাস সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এর দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের শর্করা কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই বীজের ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় গঠন এবং হাড়ের ক্ষয়রোধ করে।
এজন্য আপনার ছোট্ট সোনামনির শারীরিক ও মানসিক বেড়ে ওঠার জন্য রাজমা খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। শুধু তাইই নয়! ছোট-বড় সকলেই এই পুষ্টিকর খিচুরি মিক্স খেতে পারবেন বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগী ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য খুবই উপকারী।

Login to ask a question