- এলার্জির সমস্যা দূরীকরণে চিরতা গুঁড়া কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- এটি ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।
- চিরতা গুঁড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- এটি এন্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে থাকে।
- কৃমির সমস্যায় চিরতার গুঁড়া খুবই উপকারী।
- এটি দেহে রক্তকোষ গঠন করে দেহের রক্ত শূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।
- পচা ঘা এর সমস্যায় চিরতা গুঁড়া ভেজানো পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ধুয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়।
- নিয়মিত চিরতা গুঁড়া সেবনে ক্যান্সার এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে আসে।
- এটি চুল পড়া রোধে সাহায্য করে।
- চিরতা গুঁড়া ইনফ্লুয়েঞ্জা, বমি ভাব এবং শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
চিরতা (Chirota) গুঁড়ার উপকারিতা-
১। এটা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। ২। কালাজ্বর প্রতিরোধ করে। ৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৪। অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে। ৫। অ্যালার্জি দমন করে। ৬। রক্তপিত্ত জনিত সমস্যা দূর করে। ৭। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে, গর্ভাবস্থায় বমি হলে, হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড বমি হলে, কৃমি হলে পানিতে ভিজিয়ে চিরতার রস খাওয়া যায়। ৮। চুলকানি বা খোস পাঁচড়ায় প্রতিকার পাওয়া যায়। ৯। চুল পড়া রোধে সহায়তা করে। ১০। পঁচা ঘা হলে চিরতা ভেজানো পানি দিয়ে ক্ষতস্থান ধুয়ে ফেললে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। ১১। চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠনের মাধ্যমে রক্তশূণ্যতার বিপরীতে ভূমিকা রাখে। ১২। এটি সেবনে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস হয় ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস হয়।
কিভাবে খাবেন?
এক চা চামচের ৪ ভাগের এক ভাগ এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানিতে চিরতা (Chirota) গুঁড়া ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তারপর খাবেন। অনেকে রাতে ভিজিয়ে রেখে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে তারপর সকালে খালি পেটে খেয়ে থাকেন।



Login to ask a question