হাতিশুঁড় গাছের পাউডার বা এর রস বিভিন্ন শারীরিক উপকারিতা দেয়, যেমন - ত্বকের ছত্রাকজনিত সংক্রমণ নিরাময়, ক্ষত ও ফোঁড়া সারাতে ব্যবহার, দাঁতের মাড়ি ফোলা ও ব্যথা কমানো, বাত-ব্যথা ও প্রদাহ দূর করা, শ্বাসকষ্ট ও কাশি নিরাময় এবং জ্বর ও সর্দিতে সেবন। এর পাতা ও মূল বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
হাতিশুঁড় গাছের উপকারিতা:
- ত্বকের সমস্যা:
ত্বকের ছত্রাকজনিত সংক্রমণ, লালচে চাকা দাগ, ফোড়া ও একজিমা নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।
- ক্ষত ও ফোঁড়া:
গাছের পাতা পিষে ক্ষত, ত্বকের আলসার এবং ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিলে দ্রুত উপশম হয়।
- দাঁতের ও মুখের সমস্যা:
দাঁতের মাড়ি ফোলা বা ব্যথা কমাতে এবং মুখের আলসার সারাতে এর মূল চিবালে উপকার পাওয়া যায়।
- বাত ও প্রদাহ:
বাতের ব্যথা, জয়েন্টের ব্যথা, মাংসপেশির ব্যথা এবং শরীরের সামগ্রিক প্রদাহ কমাতে এর পাতা ও মূলের রস ব্যবহার করা হয়।
- শ্বাসকষ্ট ও কাশি:
শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি (অ্যাজমা), কাশি এবং সর্দিতে এর ক্বাথ বা পাতার রস ব্যবহার করা যেতে পারে।
- জ্বর:
জ্বর ও কাশিতে গাছের মূল পানির সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথ হিসেবে পান করলে উপশম পাওয়া যায়।
- বিষাক্ত পোকার কামড়:
বিষাক্ত পোকার কামড়ে জ্বালা ও ফোলা কমাতেও এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।
- চোখের সমস্যা:
কনজাংটিভাইটিস বা চোখের ড্রপ হিসেবেও এর পাতার রস ব্যবহার করা যায়।
ব্যবহারবিধি:
- পাতার রস:
ক্ষত, ফোঁড়া বা ত্বকের সংক্রমণে গাছের পাতার রস সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
- ক্বাথ:
জ্বর-কাশিতে মূল পানির সাথে ফুটিয়ে ক্বাথ তৈরি করে সেবন করা হয়।
- পাউডার:
ব্যবহারের জন্য পুরো গাছ বা এর বিভিন্ন অংশ শুকিয়ে পাউডার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- পেস্ট:
ফোলা অংশে অল্প গরম করে পাতা বেটে লাগালে উপকার হয়
Login to ask a question